ভোটার প্রার্থীদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে হয়রানি

 ২০১৯-০৯-২১ ১৫:০০:৫৪   বিভাগ: সম্পাদকীয়

 

আমাাদের দেশের মানুষ বিশেষ করে কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফের জনসাধণ ভোটার হালনাগাদ করতে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। এ বিষয় টা উল্লেখ করার পূর্বে একটু পেছনে যাওয়া যায়, বর্তমান রোহিঙ্গাদের কারণে ভোটার হওয়া বা হালনাগাদের ক্ষেত্রে সরকারের এমন উদ্যোগকে নিঃসন্দেহে স্বাগত জানানো দোষ হবেনা। কেননা রোহিঙ্গারা এদেশের নাগরিক হতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব জ্ঞানহীন কতিপয় কর্মকর্তার আচরণ এখানে উল্লেখ করছিনা। তাই সরকার এমন বিচক্ষণ উদ্যোগ বলে মনে করছি। তবে, এই এলাকার জনগণ ভোটার হালনাগাদ করতে গিয়ে রন্ধ্রে রন্ধ্রে হয়রানি হয়েছে বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কম্পিউটারের দোকানে, গ্রাম পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তাদের হাতে চরমভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন আমাদের দেশের জনগণ। অথচ সরকারের সফল প্রকল্প ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্র। কিন্তু জনগণ তেমন সুফল পাচ্ছেননা। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের স্বজনপ্রীতি ও অর্থলোভের কারণেই। আমরা মনে করি, সরকারের এমন সেবামূলক প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন অফিসারের প্রতিনিয়ত তদারকি করা সমীচীন। এতেই মিলবে জনগণের কাঙ্খিত সেবা।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ ভোটার হতে ১৭ থেকে ২১ টির বেশি সঠিক প্রমাণপত্র প্রয়োজন। খেটেখাওয়া মানুষের এসব জোগাড় করতে কয়েকদিন খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে তথ্য সংগ্রহকারীরা আগ্রহী ভোটার প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহের কথা থাকলেও অনেকেই এখনো কার্যক্রম শুরু করেননি অভিযোগ উঠেছে । এটি নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। অতীতে দেখেছি অর্থের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের বাইরেও স্থানীয়দের ভোটার করানো হয়েছে। এটা হবে কেন? বিষয়টি কারো কাম্য হতে পারেনা। আমরা আশা করবো, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও অর্থলোভের উর্ধ্বে থেকে কাজ করবেন তথ্য সংগ্রহকারীরা । মনে রাখবেন জনগণ ক্ষেপে গেলে মানববন্ধন থেকে শুরু করে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।


আর্কাইভ
September 2019
S S M T W T F
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

ফেইসবুকে আমরা